শেষ দিনে জমেছে কেনাবেচা |
|
|
Fri, Nov 27th, 2009 8:22 pm BdST |
Dial 2324 from your mobile for latest news |
|
|
|
ঢাকা, নভেম্বর ২৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ঈদের একদিন আগে শুক্রবার রাজধানীতে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট। দামও সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন। গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটসহ এবার ১১টি হাটের অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন। নির্ধারিত হাটের বাইরে আর কোথাও হাট বসতে না দেওয়া হবে না- ঢাকা মহানগর পুলিশ এ ঘোষণা দিলেও রাজধানীর অলিতে গলিতে অনির্ধারিত পশুর হাট বসতে দেখা গেছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় গাবতলী হাট বছরের মাঝামাঝিতে এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি পশু ওঠে এ হাটেই। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে দাম এবং দড়ি নিয়ে টানাটানি চলছে। দাম না পোষানোর কারণে কোনো ক্রেতা ফিরে গেছে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি। স্কুল শিক্ষক হাসানুজ্জামান মগবাজারের থেকে এসেছেন গাবতলী হাটে। তার ভাষায়, "বড় হাট, দশটা গরু দেখে পছন্দের একটা গরু কিনবো।" তাকে ১০টি দেখতে হয়নি, ২/৩টি গরু দেখার পর দাম পছন্দ হয়ে যাওয়ায় ২৫ হাজার টাকা দিয়ে তিনি একটা গরু কেনেন। তার এ রকমই বাজেট ছিল বলে হাসানুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান। সন্ধ্যার কিছু আগে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় একটি বড় গরু কেনেন ধানমণ্ডির ব্যবসায়ী কামাল হোসেন। তিনি বলেন, "গরুর দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। রাতে হয়তো বাড়তে পারে।" গরু বিক্রেতা রাজশাহীর আকরাম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার তিনি ১২টি গরু আনেন। শুক্রবার দুপুরের মধ্যে সবগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। "যে রকম লাভ আশা করেছিলাম, সে রকম না হলেও খারাপ হয়নি", বলেন তিনি। আগারগাঁও অস্থায়ী পশুর হাটে দৃশ্যএকটু ভিন্ন। এখানে ক্রেতা এবং গরুর সংখ্যা তুলনামূলক কম। তবে হাট জমজমাটই বলা যায়। হাট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি হারুন মোল্লা জানান, শেষ দিনে কেনাবেচা ভালো হলে লাভ হবে। হাট নয়, তবুও এরকম প্রায় ১০টি স্থানে সন্ধ্যায় বেচাকেনা চোখে পড়েছে। সংসদ ভবনের সামনে মানিকমিয়া এভিনিউ'র দক্ষিণ দিকে বসেছে শুধু ছাগলের হাট। শতশত ছাগল। ক্রেতাও চোখে পড়ার মতো। দাম হাকলেও সেটাই শেষ নয়, দরাদরির সুযোগ রয়েছে- বলছেন বিক্রেতারাই। মোহাম্মদপুরে বেড়িবাধে, নূরজাহান রোডে, মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরের পূর্ব দিকে, তেজগাঁও বিজ্ঞান কলেজের কাছে বসেছে অনির্ধারিত পশুর হাট। এসব হাট সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের নির্দেশ থাকলেও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এসব হাটের কথা অস্বীকার করছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এলএইচ/এমআই/২০১৪ ঘ. |
| WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action. |
|
|
|
|