সর্বশেষ :
partners logo
12:24 am BdST, Wednesday, Feb 10, 2010
ভোলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬
Sun, Nov 29th, 2009 11:10 am BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news  
ভোলা, নভেম্বর ২৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চ থেকে আরো ছয় যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৬।

উদ্ধারকৃত লাশের কোনোটিরই পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে দুইটি শিশু রয়েছে।

এদিকে রওনা দেওয়ার ২৬ ঘন্টা পর দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা পানিতে কাত হয়ে আংশিক ডুবে থাকা লঞ্চটিকে দাঁড় করায়। এতে করে লঞ্চটির নিচের অংশে উদ্ধার তৎপরতা সহজতর হয়।

শনিবার সকালে বরিশাল থেকে রওনা হয়ে হামজা রোববার সকাল ১১টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং রাত হয়ে যাওয়ায় নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের অভিযান শনিবার সন্ধ্যায় স্থগিত করা হয়।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জসীম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, দুপুরের উদ্ধার অভিযানে আরো ছয়টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিখোঁজ যাত্রীদের অনেক স্বজনের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার মানুষ তেঁতুলিয়ার পড়ে অবস্থান করছে।

এ ঘটনায় রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে তিন হাজার করে টাকা অনুদান দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহনগামী এমভি কোকো-৪ নামে লঞ্চটি শুক্রবার রাতে তলা ফেটে আংশিক ডুবে যায়।

শনিবার বিকাল ৩টার দিকে নৌ বাহিনীর ডুবুরিরা দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চের ভিতর ঢুকে উদ্ধার কাজ চালায়।

জেলা প্রশাসক মেসবাহুল ইসলাম বিকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এ ঘটনায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বাইতুল আমিন ভূঁইয়াকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

লালমোহন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, লঞ্চটির যাত্রীরা ছিলেন চরফ্যাশন ও লালমোহন উপজেলার।

লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ছয়শর মতো হলেও এতে দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ছিলো বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এটি শুক্রবার বিকালে ঢাকার সদরঘাট ছেড়ে যায়।

লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী জানান, রাত ১০টার দিকে লালমোহনের নাজিরপুর ঘাটের কাছে এলে লঞ্চটির তলা ফেটে যায়। এটি তখন দ্রুত ঘাটে ভিড়তে চেষ্টা করে। ঘাটে ভেড়ার ঠিক আগে এটি হেলে গিয়ে অর্ধেক ডুবে যায়।

লঞ্চের কত যাত্রী জীবিত উদ্ধার হয়েছে এবং কতজন নিখোঁজ তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি।

লঞ্চ দুর্ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। অনেকে সাঁতরে তীরে ওঠেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/কিউএইচ/জিএনএ/১২৪৫ ঘ.
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
 
 

Rank